“জ্ঞানের মত সম্পদ এবং অজ্ঞতার মত দারিদ্রতা আর নেই”-হযরত আলী রা.

test

ফ্রিল্যান্সিং কি? কেনো করবেন এবং উপকারিতা কি?


Freelancing
Freelancing



ফ্রিল্যান্সিং কি? 

ফ্রিল্যান্সিং প্রথম শুরু হয়েছিলো ১৯৯৮ সালের দিকে। অনলাইনে একটা মার্কেটপ্লেস খোলা হয়েছিলো, সেখান থেকেই বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের শুরু। 

ব্যাপারটা বেশ মজাদার। ধরাবাধা অফিস টাইম নেই, যখন ইচ্ছে কাজ করলেই হলো! এই কাজ হতে পারে বিভিন্ন রকম। ওয়েব ডিজাইনিং থেকে শুরু করে গ্রাফিক ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, বিষয়ভিত্তিক আর্টিকেল লেখা বা ডাটা এন্ট্রি হতে পারে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়।
অনলাইন মার্কেট প্লেসে রেফারেন্স /এফিলিয়েট মার্কেটিংও হতে পারে। এককথায় ইহা এক মহাসমুদ্র, আপনার দক্ষতাই এখানে আপনার কাজ ও আয় তৈরি করবে।
 
এখানে দুই পক্ষ থাকেন। ক্লায়েন্ট আর ফ্রিল্যান্সার। ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে বিভিন্ন কাজ দিয়ে থাকেন, আর একটা নির্দিষ্ট সময়ের (যেটি ফ্রিল্যান্সারের ইচ্ছেমতো নির্ধারণ করা হয়) মধ্যে কাজ শেষ করে ক্লায়েন্টকে পাঠিয়ে দিতে হয়। ক্লায়েন্টের সাথে কাজ শুরুর আগেই চুক্তি করা হয় পারিশ্রমিক নিয়ে। এককথায় চাকুরীতে একজনকে বেতন দিয়ে যে কাজ করানো হয় তা বর্তমানে ওপেন অনলাইন মার্কেট থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্টান ফ্রীল্যান্সার দ্বারা কাজটা করিয়ে নেন চুক্তিভিত্তিক।

ফ্রীল্যান্সার কাজ করেন সেবা ও পণ্য নিয়ে। কাজ হয়ে গেলে, ক্লায়েন্ট ফ্রিল্যান্সারকে তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়। ব্যস, হয়ে গেল একটি সফল ফ্রিল্যান্সিং!

 ফ্রী ল্যান্সিং এর সুবিধা:  ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অহেতুক বাড়তি কর্মচারী নিয়োগ এর ঝামেলা হতে মুক্তি দেয় আর ফ্রী ল্যান্সাররা নিজেদের সময় অনুযায়ী ঘরে বসেই আয় ও ক্যারিয়ার তৈরির অসাধারণ সুযোগ উপভোগ করতে পারেন। এখানে কাজ ও দক্ষতাই সবকিছুর পরিমাপক।

 কেন ফ্রিল্যান্সার হবেন? চলুন দেখে আসি ফ্রিল্যান্সিং পেশার অন্যতম সুবিধাগুলো কি কি, স্বাধীন ভাবে নিজের পছন্দ মতো কাজ করা যায় দেশে এবং বিদেশে দক্ষ জনবলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ভালো আয় এর নিশ্চয়তা নিজের পারিশ্রমিক নিজেই নির্ধারন করতে পারবেন কোনও নির্দিষ্ট ডিগ্রি বা অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হয় না পার্ট টাইম অথবা ফুল টাইম দুই ভাবেই কাজ করতে পারবেন নিজেই একজন উদ্যোক্তা হিসেবে কোম্পানি বা এজেন্সি প্রতিষ্ঠা করা যায় ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্র অনেক ব্যাপক।

 বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং সেবা গ্রহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হল পছন্দের তালিকার দেশগুলোর মধ্যে ২য়। ২০১৬ সালে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটের পরিমান ছিল প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন ধরনের কাজ আছে তার মধ্যে থেকে নিজের স্কিল বা দক্ষতার উপর ভিত্তি করে কাজ বেছে নিতে পারবেন। স্বল্প সময়ে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আপনি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং কি? কেনো করবেন এবং উপকারিতা কি? ফ্রিল্যান্সিং কি? কেনো করবেন এবং  উপকারিতা  কি? Reviewed by Abu Taher on November 10, 2020 Rating: 5

No comments:

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.